ইলেকট্রিক টাইমার সুইচের ব্যবহার ইন্ড্রাস্ট্রিতে ব্যাপক হারে হয়ে থাকে। এই লেখাটিতে টাইমার সম্বন্ধে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

ইলেকট্রিক টাইমার সুইচ দিয়ে বিভিন্ন ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস নির্দিষ্ট সময়ে চালু বা বন্ধ করা যায়। এই সুইচ সাধারণত রীলে, কন্টাক্টর ইত্যাদির সাথে সংযুক্ত থেকে কন্ট্রোল করে থাকে।

টাইমার এবং রীলের কার্যপ্রনালী প্রায় একই কিন্তু টাইমারের ক্ষেত্রে একটু ভিন্নতা রয়েছে। রীলেতে সাপ্লাই দেওয়ার সাথে সাথে নরমালি ওপেন টি ক্লোজ হয়ে যায় যেখানে টাইমারে একই কাজ ঘটে কিন্তু সেটা নির্দিষ্ট সময়ের পর। টাইমারে টাইম সেট করে দেওয়া যায়, ঠিক নির্দিষ্ট সময় পরে নরমালি ওপেন থেকে নরমালি ক্লোজ হবে।

কানেকশন ডায়াগ্রামঃ

টাইমার :

পয়েন্ট ২ এবং ৭ঃ এই দুটি পয়েন্টে কয়েল ভোল্টেজ অনুযায়ি পাওয়ার সাপ্লাই দেওয়া হয়। এই কয়েল ভোল্টেজ টি টাইমারের গায়ে বা ক্যাটালগে উল্লেখ থাকবে।

পয়েন্ট ১, ৪ এবং ৩ঃ পয়েন্ট ১ হলো কমন পয়েন্ট ৩ এবং ৪ এর জন্য। পয়েন্ট ১, ৪ এর সাথে নরমালি ক্লোজ আছে অর্থাৎ কন্টাক্টে আছে। পয়েন্ট ১, ৩ এর সাথে নরমালি ওপেন আছে বা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে।

পয়েন্ট ৮, ৫ এবং ৬ঃ পয়েন্ট ৮ হলো ৫ এবং ৬ এর জন্য কমন পয়েন্ট। পয়েন্ট ৮, ৫ এর সাথে নরমালি ক্লোজ আছে অর্থাৎ কন্টাক্টে আছে। পয়েন্ট ৮, ৬ এর সাথে নরমালি ওপেন অবস্থায় আছে অর্থাৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে।

কার্যপদ্ধতিঃ

টাইমার

ধরি উপোরোক্ত টাইমারটিতে টাইম সেট করে দেওয়া হয়েছে ২০ সেকেন্ড, অর্থাৎ ২০ সেকেন্ড পর বাতিটি জ্বলবে।

যখন টাইমারটিতে পাওয়ার সাপ্লাই দেওয়া হবে তখন টাইমারটি ১,২,৩…… সময় নিয়ে ২০ সেকেন্ড পূর্ণ করবে এবং নরমালি ওপেন টি ক্লোজ হয়ে যাবে ও সাথে সাথে কন্ডাকশন পাবে ও বাতিটি জ্বলবে।

Controlling: Push pull সুইচ অন করার ২০ সেকেন্ড পর একটি বাতি জ্বলবে।

টাইমার

এক্ষেত্রে প্রথমে আমরা অফ পুশ পুল সুইচ এবং অন পুশ পুল সুইচ ব্যবহার করেছি। অফ সুইচটিতে পুশ করার সাথে সাথে পুরো সিস্টেম অফ হয়ে যাবে এবং অন সুইচটিতে পুশ করার সাথে সাথে পুরো সিস্টেম অন হবে :)।

এখানে অন সুইচের সাথে রীলের নরমালি ওপেন ল্যাচিং করা হয়েছে, অর্থাৎ যখন অন সুইচ পুশ করে ছেড়ে দিবো তখন রীলেটি নরমালি ওপেন থেকে ক্লজ অবস্থায় যাবে। রীলের সাথে টাইমারটি প্যারালালে আছে অর্থাৎ টাইমার কন্ডাকশন পাবে। টাইমার-টি কন্ডাকশন পাবার সাথে সাথে সময় কাউন্ট করা শুরু করবেঃ ১,২,৩,৪